১. ‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধটির লেখক কে?
ক. মাইকেল মধুসূদন দত্ত খ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঘ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
২. ‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
ক. সোনার তরী খ. বিচিত্র প্রবন্ধ গ. গীতাঞ্জলি ঘ. শেষের কবিতা
৩. ‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধে লাইব্রেরিকে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
ক. নদী খ. মহাসমুদ্রের কল্লোল গ. গগন ঘ. পর্বত
৪. “ভাষা চুপ করিয়া আছে”— লেখক কোন জায়গার কথা বলেছেন?
ক. স্কুল খ. বই গ. লাইব্রেরি ঘ. নদী
৫. “মানবাত্মার অমর আলোক” কোথায় বন্দি আছে?
ক. গানে খ. কাগজের কারাগারে গ. চিত্রকলায় ঘ. মানুষের মুখে
৬. লাইব্রেরিতে কী নিঃশব্দে বন্দি থাকে?
ক. মানবাত্মার ধ্বনি খ. জীবজন্তু গ. সঙ্গীত ঘ. যন্ত্র
৭. “মানবহৃদয়ের বন্যা কে বাঁধিয়া রাখিয়াছে”— লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
ক. মানুষের অনুভূতি খ. বইয়ের জ্ঞান গ. ধর্ম ঘ. রাজনীতি
৮. লেখক বিদ্যুতের সঙ্গে কিসের তুলনা করেছেন?
ক. শব্দ খ. আলো গ. জল ঘ. বায়ু
৯. “মানুষ অতীতকে বর্তমানে বন্দি করিবে”— এর অর্থ কী?
ক. ইতিহাস ভুলে যাওয়া খ. অতীতকে বইয়ের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা গ. বর্তমান ধ্বংস করা ঘ. ভবিষ্যৎকে লেখা
১০. লাইব্রেরিকে লেখক কিসের সাঁকোর সঙ্গে তুলনা করেছেন?
ক. মনের খ. কালসমুদ্রের গ. নদীর ঘ. জ্ঞানের
১১. লাইব্রেরিকে কোথায় দাঁড় করিয়েছেন লেখক?
ক. নদীর তীরে খ. সহস্র পথের চৌমাথায় গ. পর্বতের মাথায় ঘ. বাগানের কোণে
১২. “কোনো পথ অনন্ত শিখরে উঠিয়াছে”— এর অর্থ কী?
ক. জ্ঞানের উচ্চতায় পৌঁছানো খ. আকাশে যাওয়া গ. পাহাড়ে ওঠা ঘ. মৃত্যুর পথে যাওয়া
১৩. “কোনো পথ মানবহৃদয়ের অতলস্পর্শে নামিয়াছে”— লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
ক. মননের গভীর অনুসন্ধান খ. হৃদরোগ গ. ভ্রমণ ঘ. ধ্যান
১৪. লাইব্রেরিতে কারা পাশাপাশি বাস করে?
ক. জীবিত ও মৃত খ. ছাত্র ও শিক্ষক গ. ধনী ও গরিব ঘ. রাজা ও প্রজা
১৫. “বাদ ও প্রতিবাদ এখানে দুই ভাইয়ের মতো থাকে”— এর মানে কী?
ক. মতভেদ ও সহমত একসাথে থাকে খ. কেবল তর্ক হয় গ. সংঘর্ষ হয় ঘ. কেবল নীরবতা
১৬. লাইব্রেরিকে লেখক কিসের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
ক. মন্দির খ. সমুদ্র গ. শঙ্খ ঘ. পাথর
১৭. “শঙ্খের মধ্যে যেমন সমুদ্রের শব্দ শুনা যায়”— এর তাৎপর্য কী?
ক. বইয়ের ভেতর মানবহৃদয়ের স্পন্দন শোনা যায় খ. বই আওয়াজ করে গ. শঙ্খ বাজে ঘ. সমুদ্র বইয়ের মধ্যে আছে
১৮. লাইব্রেরিতে কোন দুটি বিপরীত জিনিস পাশাপাশি থাকে?
ক. সন্দেহ ও বিশ্বাস খ. আলো ও অন্ধকার গ. জীবন ও মৃত্যু ঘ. সুখ ও দুঃখ
১৯. “দীর্ঘপ্রাণ স্বল্পপ্রাণ” দ্বারা বোঝানো হয়েছে—
ক. বইয়ের আয়ু খ. মানুষের আয়ু গ. চরিত্রের জীবনকাল ঘ. ফুলের স্থায়িত্ব
২০. “কত নদী সমুদ্র পর্বত উল্লঙ্ঘন করিয়া মানবের কণ্ঠ এখানে আসিয়া পৌঁছিয়াছে”— এর অর্থ কী?
ক. বিভিন্ন জাতির জ্ঞান এখানে এসেছে খ. ভ্রমণ করা গ. শব্দ ভেসে এসেছে ঘ. সমুদ্র শান্ত হয়েছে
২১. ‘অমৃতলোক’ শব্দের অর্থ কী?
ক. স্বর্গ খ. নরক গ. পৃথিবী ঘ. গঙ্গা
২২. ‘কৈলাস’ কার বাসস্থান?
ক. বিষ্ণু খ. শিব গ. ইন্দ্র ঘ. ব্রহ্মা
২৩. ‘কল্লোল’ শব্দের অর্থ কী?
ক. গর্জন খ. ঢেউ গ. বাতাস ঘ. জলধারা
২৪. লেখক কোথায় বলেছেন “এসো এখানে এসো”?
ক. লাইব্রেরির আহ্বানে খ. মন্দিরে গ. নাটকে ঘ. বাগানে
২৫. লেখকের মতে, লাইব্রেরিতে কী গান হয়?
ক. ভালোবাসার গান খ. আলোকের জন্মসংগীত গ. প্রার্থনার গান ঘ. স্বাধীনতার গান
২৬. মহাপুরুষদের কণ্ঠ কোথায় প্রতিধ্বনিত হয়?
ক. গির্জায় খ. বইয়ে গ. লাইব্রেরিতে ঘ. গানে
২৭. “অমৃতের পুত্র” উক্তিটি কার?
ক. ঋষিদের খ. কৃষ্ণের গ. গৌতম বুদ্ধের ঘ. রবীন্দ্রনাথের
২৮. লেখকের মতে, বাঙালির কী করা উচিত?
ক. বিদেশি বই পড়া খ. নিজের ভাষায় লেখা গ. নীরব থাকা ঘ. রাজনীতি করা
২৯. বাঙালির নাম কোথায় লেখা থাকবে বলে লেখক প্রশ্ন তুলেছেন?
ক. পত্রিকায় খ. দরখাস্তের দ্বিতীয় পাতায় গ. ইতিহাসে ঘ. পাথরে
৩০. লেখকের মতে, বাঙালির আত্মা কী করেছে?
ক. নীরব থেকেছে খ. জেগে উঠেছে গ. বিদেশ গেছে ঘ. হারিয়ে গেছে
৩১. প্রবন্ধে “মাচার উপরকার লাউ-কুমড়া” কী বোঝায়?
ক. তুচ্ছ বিষয় খ. কৃষিকাজ গ. প্রকৃতি ঘ. অর্থনীতি
৩২. লেখকের মতে, লাইব্রেরি কী ধরনের স্থান?
ক. কলরবময় খ. জ্ঞানের মন্দির গ. খেলার মাঠ ঘ. বাজার
৩৩. “মানবাত্মার সংগ্রাম” কিসের সঙ্গে চলছে?
ক. অদৃষ্টের খ. রাজনীতির গ. প্রকৃতির ঘ. ঈশ্বরের
৩৪. “সৈনিকদিগকে আহ্বান” – এখানে সৈনিক কাকে বলা হয়েছে?
ক. জ্ঞানযোদ্ধা মানুষকে খ. সেনাবাহিনীকে গ. ছাত্রদের ঘ. কবিদের
৩৫. লেখকের মতে, পৃথিবীর শঙ্খধ্বনি কী আহ্বান করছে?
ক. জাগরণের খ. যুদ্ধের গ. বিশ্রামের ঘ. প্রার্থনার
৩৬. লাইব্রেরিতে ‘আলোকের জন্মসংগীত’ কী বোঝায়?
ক. জ্ঞানের আলো খ. সূর্যের আলো গ. সঙ্গীত অনুষ্ঠান ঘ. ধর্মীয় গান
৩৭. “অতীতকে বর্তমানে বন্দি করা”— এর প্রতীক কী?
ক. বই খ. ভাষা গ. মানুষ ঘ. সময়
৩৮. “কাগজের কারাগার” বলতে বোঝানো হয়েছে—
ক. বইয়ের পৃষ্ঠা খ. সংবাদপত্র গ. কাগজের বাক্স ঘ. পাঠাগার
৩৯. লেখকের মতে, বই কাকে যুক্ত করে?
ক. অতীতকে বর্তমানের সঙ্গে খ. মানুষকে পশুর সঙ্গে গ. রাজাকে প্রজার সঙ্গে ঘ. বিজ্ঞানকে কল্পনার সঙ্গে
৪০. “সহস্র পথের চৌমাথা” প্রতীকীভাবে কী বোঝায়?
ক. জ্ঞানের বহু পথ খ. রাস্তার মোড় গ. ধর্মীয় দিক ঘ. জীবনের শেষ
৪১. “লাইব্রেরি” প্রবন্ধের মূলভাব কী?
ক. জ্ঞানের মূল্য ও মানুষের আত্মপ্রকাশ খ. ইতিহাস শিক্ষা গ. ধর্মপ্রচার ঘ. রাজনীতি
৪২. লেখকের মতে, বই কীসের সেতু?
ক. মানুষ ও সময়ের খ. মানুষ ও প্রকৃতির গ. ভাষা ও ধর্মের ঘ. আলো ও অন্ধকারের
৪৩. লাইব্রেরির নীরবতা কিসের প্রতীক?
ক. ভাবগম্ভীর জ্ঞান খ. মৃত্যু গ. ঘুম ঘ. স্থিরতা
৪৪. লেখকের মতে, লাইব্রেরিতে কী থাকে না?
ক. সীমা খ. মতভেদ গ. অন্ধকার ঘ. কোলাহল
৪৫. “সহস্র ভাষায় সহস্র বৎসরের মধ্য দিয়া”— এই উক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক. মানবজ্ঞান চিরন্তন খ. সময় সীমিত গ. ভাষা বিলুপ্ত ঘ. মানুষ মূর্খ
৪৬. “অক্ষরের বেড়া দগ্ধ করিয়া”— এর অর্থ কী?
ক. বই খুলে পড়া খ. জ্ঞানের মুক্তি গ. আগুন লাগানো ঘ. বাঁধা ভাঙা
৪৭. লেখকের মতে, “বিদ্রোহী হইয়া উঠা” মানে কী?
ক. বইয়ের জ্ঞান উন্মোচন খ. বিপ্লব গ. তর্ক ঘ. উপেক্ষা
৪৮. লেখক লাইব্রেরির তুলনা করেছেন—
ক. ঘুমন্ত শিশুর সঙ্গে খ. ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে গ. মন্দিরের সঙ্গে ঘ. পাহাড়ের সঙ্গে
৪৯. লেখকের মতে, বই কাকে জাগায়?
ক. আত্মাকে খ. ঘুমন্ত শিশুকে গ. সমাজকে ঘ. প্রকৃতিকে
৫০. “অমৃতলোক প্রথম আবিষ্কার করিয়া”— কাকে নির্দেশ করে?
ক. মহাপুরুষদের খ. বিজ্ঞানীদের গ. রাজাদের ঘ. লেখকদের
৫১. লেখকের ভাষায়, লাইব্রেরি কিসের প্রতীক?
ক. মানবসভ্যতার বুদ্ধিবৃত্তি খ. সম্পদ গ. রাজনীতি ঘ. ধন
৫২. “চিরজ্যোতির্ময়ী নক্ষত্রলিপি”— এর অর্থ কী?
ক. আকাশের চিরন্তন জ্ঞান খ. তারার আলো গ. কবিতা ঘ. বইয়ের পৃষ্ঠা
৫৩. লেখকের আহ্বান কাদের প্রতি?
ক. বাঙালি জাতির খ. শিশুদের গ. কবিদের ঘ. রাজাদের
৫৪. লেখকের মতে, জ্ঞান কীভাবে সংরক্ষিত থাকে?
ক. বইয়ের অক্ষরে খ. গানে গ. প্রার্থনায় ঘ. মুখে মুখে
৫৫. “মানবহৃদয়ের উত্থান-পতনের শব্দ”— কোথায় শোনা যায়?
ক. লাইব্রেরিতে খ. মন্দিরে গ. বিদ্যালয়ে ঘ. সংসারে
৫৬. প্রবন্ধে লেখক কিসের গুরুত্ব দিয়েছেন?
ক. বই ও পাঠের খ. সম্পদের গ. রাজনীতির ঘ. ধর্মের
৫৭. “সহস্র পথের চৌমাথা”— এখানে কোন দিকের ইঙ্গিত?
ক. জ্ঞানের অসীমতা খ. রাস্তা গ. ভ্রমণ ঘ. সিদ্ধান্ত
৫৮. লেখকের মতে, বই কী দেয়?
ক. জ্ঞানের আলো খ. সম্পদ গ. বিশ্রাম ঘ. গৃহ
৫৯. প্রবন্ধের শেষভাগে লেখক কী আশা প্রকাশ করেছেন?
ক. বাঙালির জাগরণ খ. ধর্মপ্রচার গ. বিদেশযাত্রা ঘ. রাজনীতি
৬০. “বাঙালির কণ্ঠের সহিত মিলিয়া”— কী ঘটবে?
ক. বিশ্বসংগীত মধুরতর হবে খ. তর্ক বাড়বে গ. নীরবতা আসবে ঘ. দেশ ভাঙবে
৬১. প্রবন্ধে ‘মানবাত্মার আলো’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক. জ্ঞান ও প্রজ্ঞা খ. সূর্যের আলো গ. ধর্মীয় আলো ঘ. প্রদীপের আলো
৬২. “আলোকে জন্মসংগীত” কোথায় গাওয়া হয়?
ক. লাইব্রেরিতে খ. মন্দিরে গ. স্কুলে ঘ. আকাশে
৬৩. লেখক কীসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন?
ক. বাঙালির নিষ্ক্রিয়তা খ. রাজনীতি গ. সাহিত্য ঘ. অর্থনীতি
৬৪. “মানুষ শব্দকে নিঃশব্দের মধ্যে বাঁধিতে পারিবে”— এর অর্থ কী?
ক. লেখার মাধ্যমে চিন্তা সংরক্ষণ খ. কথা বন্ধ করা গ. গান শোনা ঘ. নীরব থাকা
৬৫. ‘লাইব্রেরি’ প্রবন্ধের ভাষা কেমন?
ক. রূপকধর্মী ও কাব্যময় খ. সরল গ. সংক্ষিপ্ত ঘ. অলঙ্কারহীন
৬৬. লেখকের দৃষ্টিতে লাইব্রেরি কী ধরনের স্থান?
ক. জ্ঞানের সাগর খ. যুদ্ধক্ষেত্র গ. বিশ্রামের জায়গা ঘ. বাজার
৬৭. “সহস্র বৎসরের মধ্য দিয়া”— কী বোঝায়?
ক. ইতিহাসের দীর্ঘ সময় খ. শতাব্দীর ক্লান্তি গ. প্রাচীনতা ঘ. সবগুলোই
৬৮. প্রবন্ধে বাঙালির দায়িত্ব কী বলা হয়েছে?
ক. নিজের কণ্ঠে বিশ্বে কথা বলা খ. ইংরেজি শেখা গ. বিদেশ যাওয়া ঘ. ইতিহাস ভুলে যাওয়া
৬৯. লেখকের মতে, বই মানবজাতির কী?
ক. পত্র খ. ধনভাণ্ডার গ. উত্তরাধিকার ঘ. বিনোদন
৭০. প্রবন্ধটির মূল বার্তা কী?
ক. বই পাঠের মাধ্যমে জাগরণ ও আত্মবোধ খ. রাজনীতি শেখা গ. সংগীত রচনা ঘ. ভ্রমণ করা
নিচে উত্তরসহ পিডিএফ দেয়া হলো, এই বাটন থেকে ডাউনলোড করুন।

