১. ‘নিরীহ বাঙালি’ প্রবন্ধটির লেখক কে?
ক. বেগম রোকেয়া খ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঘ. প্রমথ চৌধুরী
২. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
ক. রংপুর খ. পাবনা গ. ময়মনসিংহ ঘ. খুলনা
৩. রোকেয়ার পৈতৃক নিবাস কোন গ্রামে ছিল?
ক. পায়রাবন্দ খ. দেবানন্দপুর গ. হরিপুর ঘ. রায়পুর
৪. ‘নিরীহ বাঙালি’ কোন ধরনের রচনা?
ক. ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ খ. গল্প গ. নাটক ঘ. কবিতা
৫. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের স্বামীর নাম কী ছিল?
ক. সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন খ. ইব্রাহিম সাবের গ. জহীরউদ্দিন হায়দার ঘ. করিমুল হোসেন
৬. রোকেয়ার শিক্ষার সূচনা কে করেছিলেন?
ক. বড় বোন করিমুন্নেসা খ. বড় ভাই ইব্রাহিম সাবের গ. পিতা ঘ. স্বামী
৭. ‘নিরীহ বাঙালি’ প্রবন্ধে লেখিকা বাঙালির কেমন স্বভাব চিত্রিত করেছেন?
ক. ভীরু ও অলস খ. পরিশ্রমী গ. উদার ঘ. সাহসী
উত্তর: ক. ভীরু ও অলস
৮. বাঙালির খাদ্য সম্পর্কে লেখিকা কী বলেছেন?
ক. সরস ও মধুর খ. নিরামিষ গ. তেতো ঘ. নিস্বাদ
৯. “আমরা দুর্বল নিরীহ বাঙালি”—এটি কোথা থেকে উদ্ধৃত?
ক. নিরীহ বাঙালি খ. অবরোধবাসিনী গ. পদ্মরাগ ঘ. মতিচুর
১০. প্রবন্ধে বাঙালির পোশাক সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
ক. সূক্ষ্ম ও স্বচ্ছ খ. ভারী ও জটিল গ. বিদেশি পোশাক ঘ. রঙিন পোশাক
১১. ‘নিরীহ বাঙালি’ প্রবন্ধের মূল উদ্দেশ্য কী?
ক. সমাজের কুসংস্কার ব্যঙ্গ করা খ. প্রেম প্রকাশ গ. রাজনীতি প্রচার ঘ. গল্প বলা
১২. লেখিকা ‘বাঙালি’ শব্দে কী অনুভব করেন?
ক. কোমলতা খ. কঠোরতা গ. উদাসীনতা ঘ. ভয়
১৩. ‘নিরীহ বাঙালি’ প্রবন্ধে বাঙালিকে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
ক. কবিতা খ. নাটক গ. উপন্যাস ঘ. নদী
১৪. লেখিকার মতে, বাঙালিরা কোন কাজে অনীহা দেখায়?
ক. শারীরিক পরিশ্রমে খ. গান গাওয়ায় গ. ভ্রমণে ঘ. উৎসবে
১৫. লেখিকা বাঙালিরা কী বিক্রি করে বলেন?
ক. পাশ খ. ধান গ. পশু ঘ. জমি
১৬. প্রবন্ধে “বর” কাকে বলা হয়েছে?
ক. পাশ বিক্রেতা খ. ক্রেতা গ. শ্বশুর ঘ. বণিক
১৭. “অর্ধেক রাজত্ব ও এক রাজকুমারী”—এই মূল্য কোন কিছুর?
ক. এম.এ. পাশ খ. বি.এসসি পাশ গ. ডাক্তারি পাশ ঘ. কৃষি পাশ
১৮. বাঙালিরা কেমন বাণিজ্য করে বলে লেখিকা ব্যঙ্গ করেছেন?
ক. অলস ও সহজ খ. পরিশ্রমী গ. জাহাজভিত্তিক ঘ. বিদেশমুখী
১৯. প্রবন্ধে বাঙালির দেশকে কী বলা হয়েছে?
ক. বৈঠকখানা খ. রাজপ্রাসাদ গ. দুর্গ ঘ. পাঠাগার
২০. ‘হাওয়ার শাড়ি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক. সূক্ষ্ম শাড়ি খ. ভারী শাড়ি গ. রেশমি শাড়ি ঘ. বিদেশি শাড়ি
উত্তর: ক. সূক্ষ্ম শাড়ি
২১. ‘নিরীহ বাঙালি’ প্রবন্ধে রোকেয়া কোন দোষ ব্যঙ্গ করেছেন?
ক. অলসতা খ. লোভ গ. মিথ্যা ঘ. সাহস
২২. লেখিকা বাঙালি নারীদের কেমন বলেছেন?
ক. লজ্জাবতী লতিকা খ. কঠোর গ. সাহসী ঘ. পরিশ্রমী
২৩. বাঙালির প্রিয় খাদ্যদ্রব্য কী কী বলা হয়েছে?
ক. পুঁইশাক, সজিনা, পুঁটি মাছ খ. মুরগি ও গরুর মাংস গ. আলু ভর্তা ঘ. খিচুড়ি
২৪. ‘নিরীহ বাঙালি’ প্রবন্ধে লেখিকা কীভাবে বাঙালিকে দেখেছেন?
ক. ব্যঙ্গাত্মকভাবে খ. প্রশংসাসূচকভাবে গ. দুঃখভরে ঘ. ভয়ভরে
২৫. বাঙালিরা “brain culture” বলতে কী বোঝায়?
ক. মুখস্থবিদ্যা খ. কৃষিকাজ গ. ব্যবসা ঘ. সাহিত্যের চর্চা
২৬. বাঙালিরা কৃষির চেয়ে কোন কাজ সহজ মনে করে?
ক. মস্তিষ্ক উর্বর করা খ. নদী খনন গ. যুদ্ধ করা ঘ. গান গাওয়া
২৭. লেখিকা বাঙালিদের কোন আচরণ নিয়ে কটাক্ষ করেছেন?
ক. আত্মপ্রশংসা খ. আত্মত্যাগ গ. দান ঘ. দেশপ্রেম
২৮. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন কোন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন?
ক. সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল খ. বেথুন কলেজ গ. বিদ্যাসাগর স্কুল ঘ. নবজাগরণ পরিষদ
২৯. ‘নিরীহ বাঙালি’ প্রবন্ধটি মূলত কী শিক্ষা দেয়?
ক. ইতিবাচক কাজে উৎসাহ খ. কুসংস্কার মানা গ. ভীরুতা শেখা ঘ. অলসতা প্রচার
৩০. “আমরা সকলেই কবি”—এ উক্তি দ্বারা লেখিকা কী বোঝাতে চেয়েছেন?
ক. অতিরিক্ত আবেগপ্রবণতা খ. প্রকৃত সাহিত্যপ্রেম গ. দেশপ্রেম ঘ. যুক্তিবাদিতা
৩১. “ঝঞ্ঝাবাতে” শব্দের অর্থ কী?
ক. ঝড়ের বাতাসে খ. রোদে গ. বৃষ্টিতে ঘ. শীতে
৩২. “তণ্ডুল” শব্দের অর্থ কী?
ক. চাল খ. ডাল গ. তেল ঘ. মসলা
৩৩. লেখিকার মতে, বাঙালি গৃহিণীরা কেমন?
ক. অলস খ. পরিশ্রমী গ. ধৈর্যশীলা ঘ. সাহসী
৩৪. লেখিকার ভাষায়, বাঙালিরা কেমন কবি?
ক. করুণরসের খ. বীররসের গ. শান্তরসের ঘ. রৌদ্ররসের
৩৫. রোকেয়া কোন সালে মৃত্যুবরণ করেন?
ক. ১৯৩২ খ. ১৯২৮ গ. ১৯১৮ ঘ. ১৯৪২
৩৬. “সাশ্রুসজলনয়ন” শব্দের অর্থ কী?
ক. জলভরা চোখ খ. উজ্জ্বল মুখ গ. কঠোর দৃষ্টি ঘ. লাল চোখ
৩৭. লেখিকা বাঙালিদের কীসের মাধ্যমে বিদ্রূপ করেছেন?
ক. হাস্যরস খ. ভয় গ. ক্রোধ ঘ. করুণা
৩৮. প্রবন্ধে ‘দিব্যাঙ্গনা’ বলতে বোঝানো হয়েছে—
ক. স্বর্গের রূপসী খ. দেবী গ. কবি ঘ. রাজকন্যা
৩৯. ‘নিরীহ বাঙালি’ প্রবন্ধে বাঙালিরা কেমন জিনিস বিক্রি করে বলে বলা হয়েছে?
ক. নকল ও নিষ্প্রয়োজনীয় খ. মূল্যবান গ. ধর্মীয় ঘ. কৃষিপণ্য
৪০. বাঙালিদের মানহানির মোকদ্দমা করার প্রবণতা কী বোঝায়?
ক. ভীরুতা খ. সাহস গ. কর্মস্পৃহা ঘ. ন্যায়প্রিয়তা
৪১. ‘সুকুমার্য’ শব্দের অর্থ কী?
ক. সৌন্দর্য খ. কঠোরতা গ. গাম্ভীর্য ঘ. ধৈর্য
৪২. প্রবন্ধে ‘মূর্তিমান আলস্য’ বলা হয়েছে কাদের?
ক. বাঙালি নারীদের খ. ইংরেজদের গ. কৃষকদের ঘ. শিক্ষকদের
৪৩. লেখিকার মতে, বাঙালিরা কীসের জন্য বেশি ব্যয় করে?
ক. উপাধি লাভে খ. শিক্ষা গ. দান ঘ. কৃষি
৪৪. “খাঁ বাহাদুর” বা “রায় বাহাদুর” উপাধি কিসের প্রতীক?
ক. সামাজিক মর্যাদা খ. কৃষি জ্ঞান গ. সাহিত্য ঘ. বিদ্যা
৪৫. প্রবন্ধে “Old fool শ্বশুর” কথাটি কেন ব্যবহৃত?
ক. ব্যঙ্গার্থে খ. স্নেহে গ. সম্মানে ঘ. শ্রদ্ধায়
৪৬. লেখিকার মতে, বাঙালি কেমন শিল্প ভালোবাসে?
ক. অলস ও সহজ খ. শ্রমসাধ্য গ. কঠিন ঘ. যান্ত্রিক
৪৭. “আমাদের নামটি যেমন শ্রুতিমধুর”—এই উক্তি বাঙালির কোন দিক তুলে ধরে?
ক. কোমলতা খ. ক্রোধ গ. সাহস ঘ. শক্তি
৪৮. প্রবন্ধে বাঙালি পুরুষকে বলা হয়েছে—
ক. মূর্তিমান কবিতা খ. মূর্তিমান রাগ গ. মূর্তিমান শ্রম ঘ. মূর্তিমান শক্তি
৪৯. প্রবন্ধে বাঙালিরা কোন ফল খেতে ভালোবাসে?
ক. আম ও কাঁঠাল খ. কলা ও লিচু গ. আনারস ঘ. জাম
৫০. লেখিকা বলেছেন, “আমরা দুর্বল নিরীহ বাঙালি”—এতে কোন রস ফুটে উঠেছে?
ক. হাস্যরস ও ব্যঙ্গ খ. বীররস গ. করুণরস ঘ. শান্তরস
৫১. প্রবন্ধে বাঙালিরা কেমন রোগে ভোগে বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে?
ক. অলসতা ও ভীরুতা খ. কঠোরতা গ. অহংকার ঘ. কৃপণতা
৫২. “আমরা পাঠক, তাঁহারা পাঠিকা”—এই উক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক. নারী-পুরুষের সমতা খ. নারী-পুরুষের অনুকরণ গ. নারী-পুরুষের পার্থক্য ঘ. শিক্ষার প্রতি উদাসীনতা
৫৩. বাঙালিদের কবিতায় কোন রস বেশি ফুটে ওঠে?
ক. করুণরস খ. বীররস গ. শান্তরস ঘ. রৌদ্ররস
৫৪. “ভগ্ন শূর্প”, “জীর্ণ কাঁথা”, “পুরাতন চটিজুতা”—এই উদাহরণগুলো কী বোঝায়?
ক. অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়েও কবিতা লেখা খ. সৃজনশীলতা গ. পরিশ্রম ঘ. ব্যঙ্গ
৫৫. “অতি শুভ্রনীলাম্বর” শব্দগুচ্ছের অর্থ কী?
ক. পরিষ্কার নীল আকাশ খ. সাদা পোশাক গ. ধবল মেঘ ঘ. ঝলমলে সূর্য
৫৬. “আমরা সকলেই কবি”—এই বাক্যে লেখিকার উদ্দেশ্য কী?
ক. আবেগপ্রবণ সমাজের সমালোচনা খ. কবিদের প্রশংসা গ. সাহিত্যের উন্নতি ঘ. বীরত্ব প্রকাশ
৫৭. প্রবন্ধে বাঙালি সমাজের কোন দিকটি ব্যঙ্গের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে?
ক. অকার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা খ. কৃষিনির্ভরতা গ. যুদ্ধপ্রিয়তা ঘ. ধর্মীয় গোঁড়ামি
৫৮. “রাজ্য স্থাপন করা অপেক্ষা রাজা উপাধি লাভ সহজ”—এটি কোন মানসিকতার প্রতিফলন?
ক. খ্যাতির মোহ খ. আত্মত্যাগ গ. সাহস ঘ. দেশপ্রেম
৫৯. প্রবন্ধে “শোক সভার সভ্য হওয়া সহজ”—এই বাক্যে কী ব্যঙ্গ নিহিত?
ক. ভানপূর্ণ দেশপ্রেম খ. সত্যিকারের দুঃখ গ. সামাজিক ঐক্য ঘ. ধর্মীয় প্রথা
৬০. লেখিকা কেন বাঙালিকে “মূর্তিমান আলস্য” বলেছেন?
ক. শ্রমবিমুখ স্বভাবের কারণে খ. খাদ্যাভ্যাসের কারণে গ. শিক্ষা কম থাকার জন্য ঘ. রোগাক্রান্ত শরীরের কারণে
৬১. “স্বাস্থ্যরক্ষায় যত্নবান হওয়া অপেক্ষা ঔষধে জীবন সমর্পণ করা সহজ”—এটি কোন প্রবণতার ইঙ্গিত?
ক. ভোগবাদ খ. কুসংস্কার গ. আত্মসমালোচনা ঘ. দানশীলতা
৬২. লেখিকার মতে, বাঙালিরা স্বাস্থ্যরক্ষার পরিবর্তে কী করে?
ক. প্রসাধনী ব্যবহার করে খ. যোগব্যায়াম গ. খেলা ঘ. কৃষিকাজ
৬৩. ‘নিরীহ বাঙালি’ প্রবন্ধে কোন সৌন্দর্যবর্ধক দ্রব্যের নাম উল্লেখ আছে?
ক. কালিডর, মিল্ক অভ রোজ, ভিনোলিয়া পাউডার খ. পন্ডস, ন্যাভিয়া, ল্যাকমে গ. গার্নিয়ার, ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি ঘ. মেহেদি, আতর
৬৪. “আমরা পাচক না হইলে তাঁহারা পাচিকা হইবেন কেন?”—এই বাক্যটি কিসের উদাহরণ?
ক. তীব্র ব্যঙ্গ খ. উপমা গ. রূপক ঘ. অতিশয়োক্তি
৬৫. প্রবন্ধে বাঙালি নারীদের রন্ধন না করার কারণ কী বলা হয়েছে?
ক. কোমল স্বভাব খ. অজ্ঞতা গ. অহংকার ঘ. অসুস্থতা
৬৬. লেখিকার মতে, বাঙালিরা দেশীয় উৎপাদন বাদ দিয়ে কী পছন্দ করে?
ক. বিদেশি পণ্য খ. দেশীয় শস্য গ. কৃষি ঘ. কারখানা
৬৭. বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে কোন বৈশিষ্ট্য রয়েছে বলে বলা হয়েছে?
ক. সরস ও মধুর খ. ঝাল ও তেতো গ. নোনা ঘ. নিরামিষ
৬৮. “আমরা মূর্তিমান কাব্য”—এ উক্তি দ্বারা লেখিকা কী বোঝাতে চেয়েছেন?
ক. বাঙালির কোমলতা ও সৌন্দর্য খ. শক্তি ও বীরত্ব গ. যুক্তিবাদ ঘ. কঠোরতা
৬৯. ‘নিরীহ বাঙালি’ প্রবন্ধে বাঙালির কোন গুণটি উপহাসের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে?
ক. নকল প্রবণতা খ. সত্যবাদিতা গ. সাহস ঘ. শৌর্য
৭০. প্রবন্ধটির পাঠ-পরিচিতি অনুযায়ী, এর শিক্ষণীয় দিক কী?
ক. ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ কাজে উৎসাহিত করা খ. অলসতা শেখানো গ. নকলের প্রশংসা ঘ. অবহেলা করা
নিচে উত্তরসহ পিডিএফ দেয়া হলো, এই বাটন থেকে ডাউনলোড করুন।

